image

হার্ট অ্যাটাকের রোগীর পরবর্তী জীবন

হার্ট অ্যাটাকের পর সাধারণত হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমে যায়।  ম্যাসিভ অ্যাটাক বা প্রধান রক্তনালীতে ব্লক এর কারণে হার্ট অ্যাটাক হলে ক্ষতির মাত্রা বেশি হতে পারে। কারণ বা ক্ষতির মাত্রা যাই হক, অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে অল্পদিনেই রোগী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে। এখন স্বাভাবিক জীবনে রোগী কতটা কাজ বা ভারী কাজ করতে পারবে তা নির্ভর করে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা ও হার্ট ফেইলিওর এর ইনডেক্স এর উপর। ECG , ECHO ইত্যাদি পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা এবং NT-pro-BNP ডায়াগনস্টিক টেস্ট এর মাধ্যমে হার্ট ফেইলিওর এর ইনডেক্স জানা যায়। এটি একটি রক্তের পরীক্ষা। NT-pro-BNP এর মাত্রা বেশি হলে রোগীকে সাবধানে চলতে হবে, যেমন, ভারী কাজ বা বিশ্রাম না নিয়ে একটানা দীর্ঘসময় কাজ করা যাবেনা। এমনকি হার্ট অ্যাটাকের পর হার্ট ফেইলিওর এর ইনডেক্স না জেনে সার্জারি করাও উচিত নয়, কেননা সার্জারির ফলাফল অনেক অংশে এর উপর নির্ভর করে। রোগী ও বিশেষ করে রোগীর পরিবারকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। হৃদরোগীরা যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ-রক্তচাপ, রক্তে চর্বির মাত্রা ইত্যাদি নিয়মিত পরীক্ষা করেন, তেমনি হার্ট ফেইলিওর এর ইনডেক্সও নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন চিকিৎসা পরবর্তী নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য।